| ১৭ এপ্রিল ২০২৬
শিরোনাম:

দির্ঘ্য ১৭ বছরের লড়াই শেষে ফরিদপুর ২আসনে ধানের শীষের বিজয়ের হাসি- রাজপথের এক নির্ভীক সৈনিক হাফিজুর রহমান হাফিজ।

দির্ঘ্য ১৭ বছরের লড়াই শেষে ফরিদপুর ২আসনে ধানের শীষের বিজয়ের হাসি- রাজপথের এক নির্ভীক সৈনিক হাফিজুর রহমান হাফিজ।
ত্যাগের নাম হাফিজ, সংগ্রামের নাম হাফিজুর রহমান হাফিজ

দির্ঘ্য ১৭ বছরের লড়াই শেষে ফরিদপুর ২আসনে ধানের শীষের বিজয়ের হাসি- রাজপথের এক নির্ভীক সৈনিক হাফিজুর রহমান হাফিজ এর গল্প।

কাজী সবুর:(BDC News বাংলা) তারিখ-১৬.০২.২০২৬.ঢাকা

স্বৈরাচারী সরকারের দীর্ঘ ১৭ বছরের দুঃশাসনের সময় ছিল বিএনপি নেতাকর্মীদের জন্য এক ভয়াবহ অন্ধকার অধ্যায়। সে সময় রাজপথে দাঁড়ানো মানেই ছিল মামলা, হামলা, গ্রেফতার, নির্যাতন আর অর্থনৈতিক ধ্বংসের ঝুঁকি। এমনকি বিএনপি কর্মী পরিচয় দিতেও যখন মানুষ আতঙ্কে কেঁপে উঠতো, তখনো কিছু মানুষ বুক চিতিয়ে দাঁড়িয়েছিলেন সংগ্রামের পতাকা হাতে।
ঠিক তেমনই একজন নির্ভীক রাজপথের সৈনিক হলেন ঢাকা মহানগর উত্তর যুবদলের সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হাফিজুর রহমান হাফিজ—যিনি দীর্ঘ ১৭ বছর আন্দোলন সংগ্রামে রাজপথে ছিলেন অদম্য সাহস নিয়ে।
ভয়কে জয় করে লড়াই চালিয়ে গেছেন
দীর্ঘ সময় ধরে মামলা-হামলা ও রাজনৈতিক নির্যাতনের শিকার হয়েও তিনি পিছিয়ে যাননি এক ইঞ্চিও।
স্বৈরাচারী সরকারের রক্তচক্ষুকে উপেক্ষা করে তিনি ছিলেন রাজপথে, ছিলেন সংগ্রামে, ছিলেন দলের পাশে।
অর্থনৈতিকভাবে নিঃস্ব হয়ে পড়লেও দলীয় আদর্শের জায়গা থেকে কখনো সরে দাঁড়াননি।
শামা ওবায়েদ ইসলাম রিংকুর বহরের নিরব পাহারাদার
স্বৈরাচারী শাসনের দুঃসময়ে নিজ জন্মভূমি ফরিদপুর-২ (নগরকান্দা-সালথা) আসনে বিএনপি নেত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম রিংকু যখন এলাকায় আসতেন, তখন তাঁর গাড়িবহরে সর্বক্ষণ নিরাপত্তা ও পাহারাদার হিসেবে নিরলসভাবে দায়িত্ব পালন করতেন হাফিজুর রহমান হাফিজ।
তিনি শুধু পাহারা দেননি—তিনি ছিলেন একজন নিবেদিতপ্রাণ সৈনিক, যিনি প্রতিটি ঝুঁকিপূর্ণ মুহূর্তে নেত্রীর পাশে ছায়ার মতো থেকেছেন।
২০২৪ সালের পর সংগ্রামের নতুন অধ্যায়
২০২৪ সালে স্বৈরাচারী সরকারের পতনের পর দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন আশা জাগে।
 ঠিক সেই মুহূর্তে নিজের জন্মস্থান ফরিদপুর-২ আসনে ফিরে এসে হাফিজুর রহমান হাফিজ যেন শুরু করেন নতুন এক যুদ্ধ।
অন্তর্বতিকালীন সরকারের ১২ ফেব্রুআরি ২০২৬
ঘোষনা জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোটের যুদ্ধ, জনসংযোগের যুদ্ধ,বিজয়ের যুদ্ধ। নিজ দলের নেত্রীকে বিজয়ী করার যুদ্ধেে যাত্রা শুরু।
দিন-রাত এক করে নগরকান্দা ও সালথার প্রতিটি এলাকায় তিনি চালিয়ে যান গণসংযোগ।
পথে-ঘাটে, বাজারে-বাড়িতে, উঠানে-বৈঠকে পায়ে হেটে কথনও গাড়িতে গ্রামের সর্বস্তরের মানুষের কাছে তিনি পৌঁছে দেন দলের এবং নেত্রীর বার্তা।
অনুস্ঠিত নির্বাচনে বিজয়ের মাধ্যমে সার্থক হলো ১৭ বছরের ত্যাগ
শেষ পর্যন্ত সেই দীর্ঘ সংগ্রামের ফল আসে।
জনগণের ভালোবাসা আর নেতাকর্মীদের অক্লান্ত পরিশ্রমে বিপুল ভোটে নেত্রীকে বিজয়ী করতে সক্ষম হয়েছেন এই ত্যাগী যুবদল নেতা।
১৭ বছরের কষ্ট, নির্যাতন, দুঃখ, ত্যাগ—সবকিছু যেন এক মুহূর্তে সার্থক হয়ে ওঠে বিজয়ের হাসিতে।
রাজপথের সৈনিক, দলের গর্ব
হাফিজুর রহমান হাফিজ শুধু একজন নেতা নন—তিনি একটি ইতিহাস।
তিনি প্রমাণ করেছেন, বিএনপির রাজনীতি শুধু বক্তৃতা নয়, এটি ত্যাগের রাজনীতি, সাহসের রাজনীতি, আদর্শের রাজনীতি।
যে সময় মানুষ দলীয় পরিচয় গোপন রাখতো, সেই সময় বুক ফুলিয়ে তিনি ছিলেন রাজপথে।
যে সময় চারদিকে আতঙ্ক ছিল, সেই সময় তিনি ছিলেন প্রতিরোধের প্রতীক।
আজ ফরিদপুর-২ এর রাজনৈতিক অঙ্গনে তাঁর নাম উচ্চারিত হয় শ্রদ্ধা আর ভালোবাসায়—কারণ তিনি ত্যাগ করেছেন, লড়েছেন, দাঁড়িয়েছেন, এবং বিজয় এনে দিয়েছেন।
শেষ কথা
দীর্ঘ ১৭ বছরের আন্দোলন সংগ্রামে গড়ে ওঠা এই লড়াকু সৈনিক হাফিজুর রহমান হাফিজ সত্যিই একজন সংগ্রামী প্রতীক।
তিনি শুধু একজন যুবদল নেতা নন—তিনি স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলনের জীবন্ত সাক্ষী, এবং ফরিদপুর-২ এর রাজনীতির এক সাহসী অধ্যায়।
ত্যাগের নাম হাফিজ,
সংগ্রামের নাম হাফিজুর রহমান হাফিজ।

নগরকান্দায় বিশেষ অভিযানে ইয়াবাসহ দুই মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার।

দির্ঘ্য ১৭ বছরের লড়াই শেষে ফরিদপুর ২আসনে ধানের শীষের বিজয়ের হাসি- রাজপথের এক নির্ভীক সৈনিক হাফিজুর রহমান হাফিজ।

নগরকান্দায় বিশেষ অভিযানে ইয়াবাসহ দুই মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার।

কাজী সবুর: মাল্টিনমিডিয়াকরোসপন্ডেন্ট,নগরকান্দা,ফরিদপুর।

গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ফরিদপুরের নগরকান্দা থানা পুলিশের বিশেষ অভিযানে ইয়াবাসহ দুই মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
জানা যায়, নগরকান্দা থানা পুলিশের এএসআই ফরহাদ শেখ ও এসআই তারেক বিশ্বাস সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে পৃথক দুটি স্থানে অভিযান পরিচালনা করেন। অভিযানে রামনগর ইউনিয়নের রাধানগর গ্রাম থেকে জিয়া ফকিরকে ১০ পিস ইয়াবাসহ গ্রেফতার করা হয়। একই সময়ে ফুলসুর্তি ইউনিয়নের ইয়াবলদি গ্রাম থেকে রাজু শেখকে ৮ পিস ইয়াবাসহ আটক করা হয়।
নগরকান্দা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) রাসুল সামদানী আজাদ বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, গ্রেফতারকৃতদের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে এবং তাদের আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়েছে।
পুলিশ জানায়, মাদক নির্মূলে তাদের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

টঙ্গীতে ১৪ বছরের স্কুলছাত্রী নিখোঁজ প্রেমের ফাঁদে তুলে নেওয়ার অভিযোগ ৫ দিনেও মেলেনি খোঁজ।

দির্ঘ্য ১৭ বছরের লড়াই শেষে ফরিদপুর ২আসনে ধানের শীষের বিজয়ের হাসি- রাজপথের এক নির্ভীক সৈনিক হাফিজুর রহমান হাফিজ।

টঙ্গীতে ১৪ বছরের স্কুলছাত্রী নিখোঁজ প্রেমের ফাঁদে তুলে নেওয়ার অভিযোগ ৫ দিনেও মেলেনি খোঁজ।

মরিয়ম আক্তার জিমের সন্ধানে অসহায় বাবার আহাজারি; দ্রুত প্রশাসনিক হস্তক্ষেপের দাবি এলাকাবাসীর

মাল্টিনমিডিয়া করোসপন্ডেন্ট(BDC News বাংলা) টঙ্গি,গাজিপুর।

গাজীপুরের টঙ্গী এলাকায় ১৪ বছর বয়সী এক স্কুলছাত্রী নিখোঁজের ঘটনায় চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে। নিখোঁজ শিক্ষার্থীর নাম মরিয়ম আক্তার জিম, সে স্থানীয় একটি বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণির ছাত্রী। গত ১০ তারিখ গভীর রাতে নিজ বাসা থেকে রহস্যজনকভাবে নিখোঁজ হওয়ার পর কেটে গেছে পাঁচ দিন, কিন্তু এখনো তার কোনো সন্ধান মেলেনি।
পরিবারের অভিযোগ, ‘মাসুম’ নামের এক যুবক দীর্ঘদিন ধরে প্রেমের প্রলোভন দেখিয়ে জিমের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছিল। সেই সূত্র ধরেই পরিকল্পিতভাবে তাকে বাসা থেকে নিয়ে যাওয়া হয়েছে বলে ধারণা করছেন স্বজনরা।
জিমের বাবা আলমগীর হোসেন বলেন, “আমার মেয়েকে ফিরিয়ে দিন। আমি অসহায় হয়ে গেছি। থানা, আত্মীয়স্বজন—সব জায়গায় খুঁজেও কোনো খবর পাচ্ছি না।” মেয়ের সন্ধানে তিনি প্রতিদিন থানা ও আশপাশের এলাকায় ঘুরে বেড়াচ্ছেন বলে জানান।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, টঙ্গীর পশ্চিমবাড়ার টঙ্গী বাজার এলাকায় এ ঘটনা নিয়ে ব্যাপক উদ্বেগ ও আলোচনা সৃষ্টি হয়েছে। এলাকাবাসী এটিকে একটি স্পর্শকাতর ঘটনা হিসেবে উল্লেখ করে দ্রুত আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কার্যকর পদক্ষেপ দাবি করেছেন।
এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট থানার কর্তৃপক্ষ জানায়, অভিযোগ পাওয়ার পর বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে এবং নিখোঁজ কিশোরীকে উদ্ধারে সব ধরনের চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, কিশোর-কিশোরীদের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ও ব্যক্তিগত সম্পর্কের ক্ষেত্রে সচেতনতা বৃদ্ধি এবং অভিভাবকদের নজরদারি জোরদার করা জরুরি। একইসঙ্গে এ ধরনের ঘটনায় দ্রুত তদন্ত ও উদ্ধার কার্যক্রম জোরদার করার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়েছে।
শেষ কথা:
একটি পরিবারের আর্তনাদ, একটি এলাকার উদ্বেগ—সব মিলিয়ে দ্রুত মরিয়ম আক্তার জিমকে উদ্ধার করে পরিবারের কাছে ফিরিয়ে দেওয়াই এখন সময়ের

 

 

 

https://bdcnewsbangla.com/wp-admin

সংরক্ষিত নারী আসনে নির্বাচন করতে মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করলেন ড. আসমা শহীদ

দির্ঘ্য ১৭ বছরের লড়াই শেষে ফরিদপুর ২আসনে ধানের শীষের বিজয়ের হাসি- রাজপথের এক নির্ভীক সৈনিক হাফিজুর রহমান হাফিজ।

সংরক্ষিত নারী আসনে নির্বাচন করতে মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করলেন ড. আসমা শহীদ

সংরক্ষিত নারী আসনে নির্বাচন করতে মনোনয়নপত্র সংগ্রহনারীর ক্ষমতায়ন ও উন্নয়নে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত

আসন্ন ক্রোয়োদশ জাতীয়সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনে নির্বাচনে অংশগ্রহণের লক্ষ্যে মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেছেন ড. আসমা শহীদ।

বিকেলে নির্বাচন কমিশন কার্যালয় থেকে তিনি মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেন। এ সময় তাঁর সঙ্গে বিপুল সংখ্যক দলীয় নেতাকর্মী ও সমর্থক উপস্থিত ছিলেন। তাঁদের উপস্থিতিতে মনোনয়নপত্র সংগ্রহের ঘটনাটি উৎসবমুখর পরিবেশে সম্পন্ন হয়।
মনোনয়নপত্র সংগ্রহ শেষে ড. আসমা শহীদ সাংবাদিকদের বলেন, “বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা গড়তে ও মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমানের হাতকে শক্তিশালী করতে এবং স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মাণে ভূমিকা রাখার লক্ষ্যে সংরক্ষিত নারী আসনে নির্বাচনে অংশগ্রহণের সিদ্ধান্ত নিয়েছি। দল যদি আমাকে মনোনয়ন প্রদান করে, তবে নারীদের ক্ষমতায়ন ও দেশের সামগ্রিক উন্নয়নে কাজ করে যাব।”
ড. আসমা শহীদ পেশায় একজন সমাজসেবক। ছাত্রজীবন থেকেই তিনি জাতীয়তাবাদী রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত রয়েছেন এবং দীর্ঘদিন ধরে দলীয় কার্যক্রমে সক্রিয় ভূমিকা পালন করে আসছেন। নারী উন্নয়ন, সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধি এবং মানবকল্যাণমূলক বিভিন্ন কর্মকাণ্ডে তাঁর অংশগ্রহণ ইতোমধ্যেই প্রশংসিত হয়েছে।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, সংরক্ষিত নারী আসনে নির্বাচনের জন্য মনোনয়নপত্র সংগ্রহের মাধ্যমে ড. আসমা শহীদ নারীদের উন্নয়ন ও ক্ষমতায়নে কাজ করার একটি নতুন দৃষ্টান্ত স্থাপন করলেন। তাঁর এই উদ্যোগ নারীদের রাজনীতিতে অংশগ্রহণে আরও উৎসাহিত করবে এবং দেশের উন্নয়নে নারীদের সক্রিয় ভূমিকা রাখার পথকে আরও সুদৃঢ় করবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।